পিউ নন্দী, পুরুলিয়া: একটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারের সূত্র ধরে তদন্তে নেমে একসঙ্গে আরও আটটি বাইকের হদিস পেল পুলিশ। পুরুলিয়ার বান্দোয়ান থানার এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ন’টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার হয়েছে। ধৃত এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই সাফল্য মিলেছে বলে জানিয়েছে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২১ অক্টোবর মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে বান্দোয়ান থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে গত ২৬ অক্টোবর বাবলু আনসারিকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। ধৃতের বাড়ি পুরুলিয়ার বড়বাজার থানার অন্তর্গত খাওয়াসডিহ গ্রামে। তাঁর বাবার নাম ফারমুজ আনসারি।
গ্রেফতারের সময় ধৃতের কাছ থেকে একটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার হয়। এরপর তাঁকে আদালতে পেশ করা হলে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃতের দেওয়া সূত্রের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ।
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর বড়বাজার থানার পুলিশের সহযোগিতায় ওই থানা এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে আরও আটটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। ফলে এই মামলার তদন্তে উদ্ধার হওয়া বাইকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ন’টিতে।
একটি বাইক উদ্ধারের পর ধৃতের সূত্র ধরে আরও আটটি মোটরসাইকেল উদ্ধার হওয়ায় চুরির ঘটনার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া বাইকগুলি ঠিক কোথা থেকে চুরি করা হয়েছিল এবং এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ।
পুরুলিয়া জেলা পুলিশ জানিয়েছে, তিন দিনের পুলিশি হেফাজত শেষ হলে শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ধৃতকে ফের আদালতে পেশ করা হবে। এই ঘটনায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারের পাশাপাশি চুরির নেপথ্যে থাকা সম্ভাব্য যোগসূত্র খুঁজে বের করাই এখন তদন্তকারীদের লক্ষ্য।