দেবিকা দত্ত, শিলিগুড়ি: তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি কাওয়াখালির বিশ্ববাংলা শিল্পী হাটের নাম বদলের ইঙ্গিত দিলেন ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্রশিল্প মন্ত্রী দীপক বর্মন। তবে নাম পরিবর্তনের চেয়েও দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত এই শিল্পী হাটকে ফের চালু করাই এখন অগ্রাধিকার বলে জানালেন তিনি।
শুক্রবার কাওয়াখালিতে শিল্পী হাট পরিদর্শনে যান মন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকেরা। শিল্পী হাটের বর্তমান পরিস্থিতি, পরিকাঠামো এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখেন তাঁরা। পরিদর্শনের পর মন্ত্রী জানান, নতুন করে সাজিয়ে এই হাট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। শিল্পীরা যাতে এখানে তাঁদের তৈরি সামগ্রী নিয়ে আসতে পারেন এবং সেই শিল্পকর্মের বিপণনের সুযোগ পান, তার ব্যবস্থা করা হবে।
দীপক বলেন, “এই হাট আবার নতুন করে তৈরি করা হবে। শিল্পীরা যাতে এটি ব্যবহার করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হবে। আর বিশ্ববাংলার কোনও অস্তিত্ব নেই, তাই ওই নামেরও অস্তিত্ব নেই। তবে নাম পরিবর্তনের থেকে গুরুত্বপূর্ণ হল এই হাট চালু করা।”
শিল্পী হাট তৈরির মূল উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয় শিল্পীদের তাঁদের তৈরি সামগ্রী বিক্রির সুযোগ করে দেওয়া। কিন্তু সেই উদ্দেশ্য কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। নতুন করে হাট চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে শিল্পীদের সামনে বিপণনের একটি পরিসর তৈরি হতে পারে। তবে কবে থেকে এই হাট চালু হবে, কী ভাবে পরিচালিত হবে এবং শিল্পীদের জন্য কী কী সুযোগ রাখা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এখন নজর, মন্ত্রীর ঘোষণার পরে কাওয়াখালির এই শিল্পী হাটকে কত দ্রুত নতুন করে চালু করা যায়।