উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের এনকাউন্টারে মৃত্যুতে খুশি এলাকার মানুষ। সূর্যপুর সহ গাইঘাটা এলাকার বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, যারা এমন ঘটনা ঘটায় তাদের এমন সাজাই হওয়া দরকার।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার রাতে পাড়ায় জলসা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয় ১৭ বছরের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। রবিবার সকালে প্রতিবেশীর বাড়ির পিছন থেকে তার অর্ধনগ্ন রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। ঘটনায় আত্মীয় প্রহ্লাদ দাসকে গ্রেফতার করে গাইঘাটা থানার পুলিশ।
পুলিশের দাবি, সোমবার রাতে অপরাধের পুনর্নির্মাণ করতে নিয়ে যাওয়া হলে পুলিশের সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত। পাল্টা আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায় পুলিশ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয়।
এর আগে জুলাই মাসে বারুইপুরের সূর্যপুরে একই ধরনের ঘটনায় নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলেরও মৃত্যু হয়েছিল এনকাউন্টারে। পুলিশের একই বক্তব্য ছিল, অস্ত্র ছিনিয়ে পালাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু।
এদিকে এনকাউন্টারে মৃত প্রভাস মণ্ডলের মা এদিন মুখ খুলেছেন। তিনি জানান, "আমাকে ভুলে যেতে দিন। এই বিষয় নিয়ে আর কিছু বলতে চাই না।"দুটি ঘটনাতেই পুলিশের এনকাউন্টার তত্ত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও এলাকার একাংশের মানুষ এই ধরনের পদক্ষেপকেই সমর্থন জানাচ্ছেন।