নিউজ ফোর বাঁকুড়া: বাবাকে খুনের ঘটনায় যথাসময়ে চার্জশিট দেওয়ার দাবি তুলে এবার বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের দ্বারস্থ হলেন প্রয়াত শেখ মাফিকের ছেলে তথা ককরোচ জনতা পার্টির নেতা আব্দুল হাফিজ। সোমবার সিজেপির বেশ কিছু কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরে যান আব্দুল হাফিজ। সেখানে উচ্চ পদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করে লিখিত দাবিপত্র পেশ করেন আব্দুল। ঘটনার প্রকৃত বিচার চাওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের স্কুল তৈরীর প্রসঙ্গও টেনে আনেন ককরোচ জনতা পার্টির ওই নেতা।
গত ১৩ অগাষ্ট বাঁকুড়ার ইন্দাস থানার করিশুণ্ডা গ্রামের ককরোচ জনতা পার্টির নেতা আব্দুল হাফিজের বাড়িতে হামলা চালায় একদল দুস্কৃতি। আব্দুল হাফিজকে মারধোর করার পাশাপাশি মারধোর করা হয় তাঁর বাবা শেখ মাফিককে। ঘটনায় গুরুতর জখম হন শেখ মাফিক। পরে ১৫ অগাষ্ট রাতে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে শেখ মাফিকের মৃত্যু হতেই আন্দোলনে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। হামলাকারীদের সকলকে গ্রেফতার ও শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়াত শেখ মাফিকের নামে আন্তর্জাতিক মানের স্কুল তৈরী সহ বেশ কয়েকদফা দাবি তোলে সিজেপি।
এর মধ্যেই হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের প্রায় সকলকেই গ্রেফতার করে ইন্দাস থানার পুলিশ। ঘটনার ৯০ দিনের মধ্যে যাতে পুলিশ চার্জশিট পেশ করে সুবিচার নিশ্চিত করে সে বিষয়েই আজ সিজেপি কর্মীদের একাংশকে সঙ্গে নিয়ে বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরে যান আব্দুল হাফিজ ।
সিজেপির এই কর্মসূচীকে ঘিরে সোমবার সকাল থেকেই কার্যত কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় বাঁকুড়া পুলিশ সুপারের দফতর। দুপুর দেড়টা নাগাদ আব্দুল হাফিজ কয়েকজন সঙ্গীকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ সুপারের দফতরে গিয়ে এক উচ্চ পদস্থ পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করে নিজেদের লিখিত দাবিপত্র পেশ করে।
পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করার পর আব্দুল হাফিজ জানান,অভিযুক্তরা গ্রেফতার হলেও সুবিচার পেতে যাতে যথাসময়ে চার্জশিট দেওয়া হয় তা নিশ্চিত করতেই এদিনের কর্মসূচী। একই সাথে তাঁর দাবি আন্তর্জাতিক মানের স্কুল তৈরীর ব্যপারে সরকার এখনো কোনো পদক্ষেপ করেনি। কিন্তু তা বলে স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ থেমে থাকবে না। মানুষের টাকাতেই আগামীদিনে ওই আন্তর্জাতিক মানের স্কুল তৈরী করা হবে।