Saturday, October 31, 2026
আল্ট্রা লোকাল

কাঁসাই নদীতে জলস্তর বৃদ্ধির কারণে জলের তোড়ে ভেঙ্গে গেল একাধিক বাঁশের সাঁকো! পারাপারে একমাত্র ভরসা নৌকা!

Published by Newz4 Admin |
বীনা নন্দী দাস Posted by বীনা নন্দী দাস
- October 28, 2026
— বিজ্ঞাপন —
Advertisement
নৌকোয় যাতায়াত কংসাবতী নদীতে

বীণা নন্দী দাস, পশ্চিম মেদিনীপুর:কাঁসাই নদীতে জলস্তর বৃদ্ধির কারণে জলের তোড়ে ভেঙ্গে গেল একাধিক বাঁশের সাঁকো! পারাপারে একমাত্র ভরসা নৌকা!স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার জেরে কাঁসাই নদীতে বেড়েছে জলস্তর। নদীর জলস্তর বৃদ্ধির ফলে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর সদর ব্লকের মনিদহ, কঙ্কাবতী-সহ একাধিক এলাকায় জলের প্রবল তোড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাঁশের সাঁকো। এর জেরে নদী পারাপারে সমস্যায় পড়েছেন দুই পাড়ের বাসিন্দারা। বর্তমানে যাতায়াতের জন্য নৌকাই তাঁদের একমাত্র ভরসা।

 কাঁসাই নদীতে জলের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় জলের স্রোতে একাধিক বাঁশের সাঁকো ভেঙে গিয়েছে। ফলে প্রতিদিনের যাতায়াত, কাজকর্ম এবং অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে নদী পারাপার করতে গিয়ে ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বর মাসেও মুকুটমণিপুর ব্যারেজ থেকে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার কিউসেক পর্যন্ত জল ছাড়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। ফের জল ছাড়ার কারণে নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে,নাকি হঠাৎ প্রবল বর্ষণের জেরে এই জলস্তর বৃদ্ধি হয়েছে তা এখনও ধোঁয়াশার মধ্যে। তবে জলস্তর বাড়ার কারণে বাঁশের সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

একপ্রকার বলা যায় মেদিনীপুর থেকে ঝাড়গ্রাম যাওয়ার বা মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসার সব থেকে সহজ এবং কম সময় লাগে কঙ্কাবতীর এই বাঁশের সাঁকো। বহু বছর ধরে এই সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে বহু মানুষ, রোগী থেকে স্কুল পড়ুয়ারাও। বর্ষাকালে জলস্তর বৃদ্ধি পেলে এই সাঁকো ভেঙে যায় নৌকোই তখন একমাত্র ভরসা। দীর্ঘদিনের যাতায়াতের জন্য পাকা সেতুর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু সরকার বহু বদল হয়েছে কিন্তু এই পাকাপোক্ত সেতু আর তৈরি হয়নি। তবে বর্তমানে সরকার পরিবর্তনের পর মেদিনীপুরের বিধায়ক শংকর গুছাইত সদর ব্লকের কঙ্কাবতীতে পাকা সেতু তৈরির আশ্বাস দেন।

বর্তমানে ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় নদী পারাপার করতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কতদিন সময় লাগবে এবং ভেঙে যাওয়া সাঁকোগুলি কবে মেরামত করা হবে, বা পাকা সেতু কবে তৈরি হবে সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন এলাকার মানুষ।

— বিজ্ঞাপন —
Advertisement