শিলিগুড়ি: শহরের চারটি জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি অভিযান চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শিলিগুড়ি শহর এবং বাগডোগরার বিভিন্ন এলাকায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের উপস্থিতি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। সূত্রের খবর, শহরের বর্ধমান রোডে সন্দীপ নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে এবং সুপারি ব্যবসায়ী ধীরজের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। একই সময়ে আরও দু’টি জায়গাতেও ইডির আধিকারিকেরা পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে।
বর্ধমান রোডে সন্দীপের বাড়িতে সকালেই পৌঁছে যান ইডির আধিকারিকেরা। এর পর বাড়ির ভিতরে দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চলে বলে সূত্রের খবর। বিভিন্ন নথি, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। একই ভাবে, শিলিগুড়ির পরিচিত ব্যবসায়ী তথা সুপারি ব্যবসায়ী ধীরজের বাড়িতেও ইডির তল্লাশি চলছে। সেখানেও বিভিন্ন নথি ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।
শুধু বর্ধমান রোড নয়, বাগডোগরা-সহ শিলিগুড়ির আরও দু’টি জায়গাতেও একই সময়ে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। একসঙ্গে চারটি জায়গায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযান ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই শহর জুড়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। তল্লাশির সময় সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে নিরাপত্তার ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
তবে কোন মামলার তদন্তের সূত্রে এই অভিযান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে, কিংবা তল্লাশিতে এখনও পর্যন্ত কী কী নথি বা সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে, সে বিষয়ে ইডির তরফে এখনও বিস্তারিত সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি। ফলে অভিযানের উদ্দেশ্য নিয়ে এখনই নিশ্চিত ভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
সূত্রের খবর, তল্লাশির সময়ে বেশ কিছু নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে কোনও কিছু উদ্ধার বা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু না জানানো পর্যন্ত নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।
এ দিকে, একসঙ্গে চারটি জায়গায় ইডির তল্লাশি ঘিরে শিলিগুড়ির ব্যবসায়ী মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলেও এ নিয়ে গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। তবে অভিযানের নেপথ্যে কী রয়েছে, তদন্ত কোন পথে এগোয় এবং তল্লাশি শেষে ইডির তরফে কী পদক্ষেপ করা হয়, সে দিকেই এখন নজর রয়েছে।