Sunday, November 1, 2026
কলকাতা

শাস্ত্রীয় বাংলা ভাষা চর্চায় বিশ্বভারতীতে গড়ে উঠবে উৎকর্ষ কেন্দ্র

Published by Newz4 Admin |
Devika Datta Posted by Devika Datta
- October 02, 2026
— বিজ্ঞাপন —
Advertisement
শাস্ত্রীয় বাংলা ভাষা চর্চায় বিশ্বভারতীতে গড়ে উঠবে উৎকর্ষ কেন্দ্র

কলকাতা: শাস্ত্রীয় ভাষা হিসেবে বাংলার গবেষণা, সংরক্ষণ এবং প্রসারে আরও এক ধাপ এগোল কেন্দ্র। শাস্ত্রীয় বাংলা ভাষা নিয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি হতে চলেছে ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’ বা উৎকর্ষ কেন্দ্র। একই সঙ্গে অসমিয়া, মারাঠি, পালি এবং প্রাকৃত ভাষার জন্য দেশের আরও চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন কেন্দ্র গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের উচ্চশিক্ষা দফতরের ভাষা বিভাগের তরফে ১ অক্টোবর জারি করা অফিস মেমোরেন্ডামে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শাস্ত্রীয় ভাষাগুলির ক্ষেত্রে академিক গবেষণা, ডিজিটাইজেশন, সংরক্ষণ এবং ঐতিহ্যকে বৃহত্তর পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই পাঁচটি উৎকর্ষ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শাস্ত্রীয় অসমিয়া ভাষার জন্য তেজপুর বিশ্ববিদ্যালয়, শাস্ত্রীয় বাংলার জন্য বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শাস্ত্রীয় মারাঠির জন্য পুণের ডেকান কলেজ পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট, শাস্ত্রীয় পালির জন্য সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব ওড়িশা এবং শাস্ত্রীয় প্রাকৃতের জন্য সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব গুজরাত-কে বেছে নেওয়া হয়েছে।

বাংলার ক্ষেত্রে বিশ্বভারতীর দায়িত্ব পাওয়াকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস, প্রাচীন পুঁথি, বিভিন্ন সময়ের সাহিত্যকর্ম এবং ভাষার বিবর্তন নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি ডিজিটাল সংরক্ষণের কাজেও এই কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। বাংলা ভাষার ঐতিহ্য ও শাস্ত্রীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে দেশ-বিদেশের গবেষকদের মধ্যে আরও সমন্বয় তৈরির সুযোগও তৈরি হবে।

কেন্দ্রীয় সরকারের এই উদ্যোগের আওতায় শুধু গবেষণাই নয়, শাস্ত্রীয় ভাষাগুলির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ঐতিহাসিক উপাদান ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণের উপরেও জোর দেওয়া হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ভাষার ঐতিহ্য, জ্ঞানভাণ্ডার এবং সাহিত্যিক সম্পদ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

বিশ্বভারতীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের আরও চারটি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের কেন্দ্র গড়ে ওঠায় শাস্ত্রীয় ভারতীয় ভাষা নিয়ে গবেষণার পরিকাঠামো আরও বিস্তৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

— বিজ্ঞাপন —
Advertisement