নিউজ ফোর :সৌদি আরব ও ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঝাঁজ ক্রমশই বাড়ছে। মঙ্গলবার হুথি অধিকৃত ইয়েমেনের রাজধানী সানার পশ্চিম প্রান্তে আল-সাবাহতে একটি তৈল শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে রিয়াধ। সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এই হামলার ভিডিয়ো। অন্য দিকে, সৌদির হামলার কিছুক্ষণের মধ্যেই হুথি বাহিনীও পাল্টা হামলা চালায়। আরবের ধাহরন এলাকায় Aramco (Arabian American Oil Company)-র প্রশাসনিক ভবনে মিসাইল হামলা করে হুথিরা।
সমাজ মাধ্যমে ইয়েমেনের তৈল শোধনাগারে রিয়াধের হামলার ভিডিয়োটি ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, এয়ার স্ট্রাইকে ইয়েমেনের ওই তৈল শোধনাগারটির একাংশ ভয়াবহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘন, কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে আকাশ। The Associate Press এবং AFP-র রিপোর্ট অনুযায়ী, তৈল শোধনাগারে হামলার মুহূর্তে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হতে শোনা যায়। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।
যদিও, এই হামলার কিছুক্ষণ আগেই একটি নির্দেশিকা জারি করে সৌদি আরবের সরকার। সেই নির্দেশিকায় সানার তৈল শোধনাগারের নিকটবর্তী এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে, তৈল শোধনাগারে হামলায় ইয়েমেনে জ্বালানি সঙ্কট হবে না বলেই জানিয়েছে হুথি বাহিনী। তাদের দাবি, দেশের নাগরিকদের জন্য আলাদা করে তেল মজুত করা হয়েছে।
রিয়াধের হামলার পরেই হুথি বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহা সারি টেলিগ্রামে একটি বার্তা দিয়ে জানান যে, সৌদির এই হামলার কড়া জবাব দেওয়া হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, সানার উপরে হামলার জবাব সৌদির জন্য কঠিন এবং যন্ত্রণাদায়ক হতে চলেছে। ইয়াহার এই হুঁশিয়ারির কিছুক্ষণ পরেই সৌদি আরবের পূর্বদিকে ধাহরণ শহরে Aramco-র একটি প্রশাসনিক ভবনে আছড়ে পড়ে ব্যালিস্টিক মিসাইল।