দেবিকা দত্ত, শিলিগুড়ি: ভারত-নেপাল সীমান্তে বন্যপ্রাণী পাচার ও সংশ্লিষ্ট অপরাধ রুখতে বনকর্মী এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার আধিকারিকদের নিয়ে দু’দিনের প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হল সুকনায়। ৮ ও ৯ অক্টোবর সুকনার এনআইসি-তে এই শিবিরের আয়োজন করে দার্জিলিং বন্যপ্রাণী বিভাগ এবং অ্যাশোকা ট্রাস্ট ফর রিসার্চ ইন ইকোলজি অ্যান্ড দ্য এনভায়রনমেন্ট (এট্রিই)।
সীমান্তবর্তী এলাকায় বন্যপ্রাণী পাচারের ঘটনা চিহ্নিত করা, অপরাধের সূত্র খুঁজে বের করা এবং তা প্রতিরোধের কৌশল নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। শিবিরে ভারত ও নেপাল, দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকার বন দফতরের আধিকারিক, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিনিধি এবং র্যাপিড রেসপন্স টিমের সদস্যেরা যোগ দেন। ছিলেন ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরোর সীমান্ত ইউনিটের আধিকারিকেরাও।
প্রশিক্ষণ শিবিরে বিশেষজ্ঞ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুকনার রেঞ্জ অফিসার দীপক রসাইলি, ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরোর ইনস্পেক্টর কে. পোদ্দার, ডঃ সুনীতা প্রধান এবং ডঃ নকুল ছেত্রী। সীমান্তে বন্যপ্রাণী সংক্রান্ত অপরাধের উপর নজরদারি, পাচার চক্রের কার্যকলাপ চিহ্নিত করা এবং অবৈধ বাণিজ্য বন্ধে বিভিন্ন দফতরের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন তাঁরা।
এ ছাড়াও, এয়ারাবত ও বিএএন-সহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধিরা শিবিরে অংশ নেন। নেপালের একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিও ছিল।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, সীমান্ত পেরিয়ে বন্যপ্রাণী পাচারের মতো অপরাধ মোকাবিলায় বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জরুরি। সেই সমন্বয় বাড়ানো, অপরাধ চিহ্নিত করার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের উদ্যোগকে আরও কার্যকর করাই এই প্রশিক্ষণ শিবিরের লক্ষ্য।