শিলিগুড়ি: পাহাড়ের পর্যটনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে আগামী ছ’মাসের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করল জিটিএ ও পর্যটন দফতর। রোপওয়ে, হোমস্টে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও যানজট নিয়ন্ত্রণে জোর দেওয়া হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, মিরিক, মংপু ও কার্শিয়াংয়ে নতুন পর্যটন আকর্ষণ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। টি ফেস্টিভ্যাল, ভিন্টেজ কার র্যালি, ওয়াকাথন, প্যারাগ্লাইডিং-সহ একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। হোমস্টে রেজিস্ট্রেশন ও রিনিউয়াল অনলাইনে করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
পাহাড়ের পর্যটনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে আগামী ছ’মাসের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে ইতিমধ্যেই বৈঠকে করেছে জিটিএ এবং রাজ্যের পর্যটন দফতর। বুধবার শিলিগুড়ি স্টেট গেস্ট হাউসে আয়োজিত ওই বৈঠকে পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়ন থেকে যানজট নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, হোমস্টে-রেজিস্ট্রেশন এবং নতুন পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার মত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনাও হয়। বৈঠকের আলোচনায় ছিলেন প্রতিমন্ত্রী বিশাল নামা, দার্জিলিং, কালিম্পং ও কার্শিয়াংয়ের প্রশাসনিক আধিকারিকেরা, কার্শিয়াংয়ের বিধায়ক, দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের জেলাশাসক এবং জিটিএ-র আধিকারিকেরা।
বৈঠকে দার্জিলিং, কালিম্পং, মিরিক, দুধিয়া, মংপু এবং কার্শিয়াং-সহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকাকে আলাদা করে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়।মূল লক্ষ্য, দার্জিলিংকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে আরও উন্নত করা। পর্যটকদের আকর্ষণ করতে টি ফেস্টিভ্যাল, ভিন্টেজ কার র্যালি, ওয়াকাথন, রিভার ক্রাফটিং এবং প্যারাগ্লাইডিংয়ের মত একাধিক অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাহাড়ের পর্যটনে অন্যতম বড় সমস্যা যানজট। তা কমাতে দার্জিলিংয়ে রোপওয়ে তৈরির পরিকল্পনা আগেই নেওয়া হয়েছে।