Sunday, November 1, 2026
জেলা

চোরাবাগানের ঘটনার পর সতর্ক বারুইপুর পুলিশ , নামী পুজো মণ্ডপ পরিদর্শনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও আইসি

Published by Newz4 Admin |
সুমন সাহা Posted by সুমন সাহা
- October 18, 2026
— বিজ্ঞাপন —
Advertisement
চোরাবাগানের ঘটনার পর সতর্ক বারুইপুর পুলিশ , নামী পুজো মণ্ডপ পরিদর্শনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও আইসি

বারুইপুর: কলকাতার চোরাবাগানের ঘটনার পর পুজো মণ্ডপে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আরও সতর্ক হল বারুইপুর পুলিশ জেলা। কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা বা দুর্ঘটনা এড়াতে পুজোর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে বারুইপুরের নামী পুজো মণ্ডপগুলিতে পরিদর্শনে গেলেন বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস এবং বারুইপুর থানার আইসি শান্তনু মিত্র। তাঁদের এই পরিদর্শনকে ঘিরে পুজো উদ্যোক্তাদের মধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার তৎপরতা দেখা যায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিদর্শনের সময় ফুলতলার দুটি পুজো মণ্ডপ এবং শাসন এলাকার পুজো মণ্ডপ ঘুরে দেখেন পুলিশ আধিকারিকরা। মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশ ও বেরোনোর পথ, ভিড় সামলানোর ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন তাঁরা। বিশেষ করে ফুলতলার মণ্ডপগুলিতে দর্শনার্থীদের বাইরে বেরোনোর পথের ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন পুলিশ আধিকারিকরা। ভিড়ের চাপে যাতে দর্শনার্থীরা কোনও সমস্যায় না পড়েন, সেই বিষয়টি মাথায় রেখে গেটের ব্যবস্থা ঠিক করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

পুজোর দিনগুলিতে, বিশেষ করে রাতে, দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ার সম্ভাবনা থাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার উপর গুরুত্ব দিয়েছে পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস জানান, যে সময় মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় বেশি হবে, বিশেষ করে রাতের দিকে, সেই সময় আরও বেশি পুলিশি ব্যবস্থাপনা রাখা হবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণ, দর্শনার্থীদের নিরাপদে চলাচল এবং কোনওরকম বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

পুলিশ আধিকারিকরা পুজো কমিটিগুলিকেও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। মণ্ডপের প্রবেশ ও প্রস্থান পথ যেন যথাযথভাবে থাকে, গেটের সামনে অযথা ভিড় জমে না যায় এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দর্শনার্থীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকে, সেই বিষয়গুলিতে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

কলকাতার চোরাবাগানের ঘটনার পর পুজো মণ্ডপের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসনের এই তৎপরতা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। উৎসবের আনন্দে যাতে কোনওরকম দুর্ঘটনা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ছায়া ফেলতে না পারে, তার জন্য পুলিশ ও পুজো কমিটিগুলিকে সমন্বয় রেখে কাজ করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। এখন দেখার, পুলিশের নির্দেশ মেনে পুজো উদ্যোক্তারা কতটা দ্রুত নিরাপত্তা পরিকাঠামো আরও মজবুত করে তোলেন।

— বিজ্ঞাপন —
Advertisement