দেবিকা দত্ত:শিলিগুড়ি: ফুলেশ্বরী রেলগেট বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘিরে এবার সরব হলেন শিলিগুড়ির প্রাক্তন মেয়র তথা প্রাক্তন মন্ত্রী ও বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য। শুক্রবার শিলিগুড়ি জার্নালিস্টস ক্লাবে এক সাংবাদিক বৈঠক করে রেলের বিরুদ্ধে নির্ধারিত নিয়ম না মেনে গভীর রাতে রেলগেট বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জেনারেল ম্যানেজার, কাটিহারের ডিআরএম এবং জেলাশাসককে চিঠি দেওয়ার কথাও জানান অশোকবাবু।
তাঁর অভিযোগ, কোনও রেলগেট বন্ধ করার আগে যে ধরনের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও জনস্বার্থ সংক্রান্ত বিধি মেনে চলা প্রয়োজন, ফুলেশ্বরীর ক্ষেত্রে তা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। রেলগেট বন্ধের আগে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, সাধারণ মানুষকে আগাম নোটিশ দেওয়া এবং আপত্তি জানানোর জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা রাখার মতো প্রক্রিয়া থাকা দরকার বলে দাবি করেন তিনি।
অশোক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অন্তত ৩০ দিনের সময়সীমা দিয়ে সাধারণ মানুষের মতামত ও আপত্তি শোনার সুযোগ দেওয়া উচিত। পাশাপাশি রাজ্য সরকার, জেলাশাসক এবং শিলিগুড়ি পুরনিগমের মতামতও নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
ফুলেশ্বরী রেলগেট বন্ধের ফলে এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াত ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় কী ধরনের প্রভাব পড়ছে, সেই বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা দরকার বলে তাঁর দাবি। জনস্বার্থের সঙ্গে যুক্ত এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত গ্রহণের উপর জোর দেন প্রাক্তন মন্ত্রী।
এই পরিস্থিতিতে রেল কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তুলে ধরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানাতে চলেছেন অশোক ভট্টাচার্য।