Saturday, October 31, 2026
জেলা

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বাড়িতে আলপনা কেন দেওয়া হয় জানলে অবাক হবেন!

Published by Newz4 Admin |
সুমন সাহা Posted by সুমন সাহা
- October 24, 2026
— বিজ্ঞাপন —
Advertisement
কোজাগরি লক্ষীর আরাধনায় আঁকা হচ্ছে আলপনা

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: কোজাগরী অর্থ  কে জেগে আছো প্রাচীন বিশ্বাস অনুযায়ী, মা এই দিন গৃহে গৃহে গিয়ে ভক্তকে দর্শন দেন। তাঁর গৃহে শ্রী প্রদান করে আসেন। তাই গৃহের দরজা খুলে মায়ের আসার অপেক্ষায় জেগে থাকতে হয়। তাই এই আরাধনার নাম, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। লক্ষ্মীপুজোর সঙ্গে  অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, আলপনা। বাঙালির ঘরে ঘরে আয়োজন করা হয় লক্ষ্মী পুজার। রাঙা পায়ের আলপনায় মা আসেন ঘরে। 

কিন্তু লক্ষ্মী পুজোয় এই আলপনা দেওয়ার চল কেন বিশ্বাস করা হয় যে, দেবী লক্ষ্মী বাড়িতে এলে তাঁর পদচিহ্ন ধরে প্রবেশ করেন। আলপনা সেই পথই তৈরি করে।কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর দিন বাড়িতে আলপনা দেওয়ার রীতি বহুল প্রচলিত। খড়িমাটি বা চালের গুঁড়ো দিয়ে আঁকা হয় এই শুভ্র আলপনা। যে চৌকাঠ পেরিয়ে দেবী লক্ষ্মী ঘরে প্রবেশ করবেন সেখানে আঁকা হয় দেবীর পদচিহ্ন। আলপনাতে থাকে দেবীর বাহন পেঁচা, শঙ্খ, পদ্ম, ধানের শিষ, ধানের গোলা ইত্যাদিও। লক্ষ্মীর প্রতীক হিসেবেই তাঁর পায়ের ছাপের আগমন। কারণ আগেকার দিনে লক্ষ্মীর মূর্তি হত না।

 

 আলপনা দিয়ে নানা অনুসঙ্গ এঁকেই পুরোটা করা হত। সেক্ষেত্রে লক্ষ্মীর পায়ের ছাপ সেই দেবীত্বের আগমনকেই বলে দেয়।  আর লক্ষ্মী তো সেই সম্পদেরই দেবী। এইভাবেই লক্ষ্মীর পায়ের প্রচলন আলপনায় চলে আসে। আলপনা মানেই মাঙ্গলিক অন্তরের সৌন্দর্য দিয়ে রেখার পর রেখা তুলে, তাতে সুন্দরের প্রতিষ্ঠা করা। আলপনা মানেই স্থির একাগ্র চিত্তে অঙ্কন। অর্থাৎ কাজের প্রতি ভক্তি ও সমর্পণ। মধ্যবর্তী শ্রী আলপনা বা মণ্ডলাকার বৃত্ত আলপনাটি তাই একাগ্রতা ও সমর্পণের প্রতীক; সাক্ষাৎ লক্ষ্মী শ্রী। অর্থাৎ গৃহস্থ এক মনে, মনের সবটুকু ভক্তি ও সৌন্দর্য দিয়ে এই আলপনা আঁকছেন, তাঁর লক্ষ্মী আসবে বলে।

লক্ষ্মীপুজোর আলপনার রীতি- ধনদেবী লক্ষ্মীর সঙ্গে সম্পর্কিত নানান প্রতীক চিহ্ন দিয়ে এই পুজোর আলপনা দেওয়া হয়। ফুলের আদলে আলপনা  লক্ষ্মীপুজোর আলপনায় ফুলের আদল বিশেষ পরিচিত। সেখানে পদ্মফুল অনেকেই নক্সা করে থাকেন। সঙ্গে গোলাকৃতি নানান নক্সা থাকে। গোলাকার টিপ এই নক্সার অঙ্গ হয়।

 

 

— বিজ্ঞাপন —
Advertisement